Charles Kaye

Mr. Charles R. Kaye, also known as Chip, is a Co-Chief Executive Officer and Member of the Executive Management Group at Warburg Pincus LLC. He is also a Director of the United Nations Association of the United States of America. Mr. Kaye is a Co-Chairman of New York City Investment Fund Manager, Inc. He also sits on the International Advisory Board of the Center for The Advanced Study of India (CASI) at the University of Pennsylvania and serves the Co-Chairman of the Partnership Fund for New York City. He is the Chairman Emeriti of Asia Society. He served as a Member of International Advisory Board at Council on Foreign Relations, Inc. and is a member of the Council on Foreign Relations.

উদীয়মান ভারতের সাথে কাজঃ নতুন শতাব্দীর জন্য একটি যৌথ উদ্যোগ

(ওয়ার্কিং উইথ আ রাইজিং ইন্ডিয়াঃ এ জয়েন্ট ভেঞ্চার ফর দ্যা নিউ সেঞ্চুরি )

প্রধানঃ চার্লস আর ক্যায়ে-সহকারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ওয়ারবার্গ পিনকাস এবং জোসেফ এস নাই জুনিয়র- সম্মানিত সার্ভিস অধ্যাপক, জন এফ কেনেডি স্কুল, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি।

প্রোজেক্ট ডিরেক্টরঃ এলিসা আইরিস- ভারত, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো

প্রোগ্রাম ডিরেক্টরঃ ক্রিস্টোফার এম টাটল- নির্বাহী ব্যবস্থাপক, ওয়াশিংটন ও ইন্ডিপেনডেন্ট টাস্ক ফোর্স প্রোগ্রামস।

 

আগামী দুদশকে, আমেরিকার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একটি উন্নয়নশীল ভারত  সবচেয়ে জোরালো ভুমিকা রাখবে, এমনটি মনে করছেন কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স এর সাথে সংযুক্ত একটি স্বাধীন টাস্ক ফোর্স এর রিপোর্ট; (ওয়ার্কিং উইথ আ রাইজিং ইন্ডিয়াঃ এ জয়েন্ট ভেঞ্চার ফর দ্যা নিউ সেঞ্চুরি।)

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারত বিগত দশ বছরে ১৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে দারিদ্র থেকে মুক্তি দিয়েছে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠেছে এবং একইসাথে চীনকে সরিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। টাস্ক ফোর্সের মতে, দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জন না করেও ভারত যদি  শুধুমাত্র তার বর্তমান প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারে, তাহলেও তার সামনে সুযোগ থাকবে আগামী দুই থেকে তিন দশকের মাঝে চীনের অনুসরণে আরেকটি  ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হয়ে উঠতে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপরে গুরুত্ব প্রদান এবং পররাষ্ট্রনীতি পুনরুজ্জীবিতকরণের মাধ্যমে দেশটির সামনে সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। দেশটি এখন প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এর পথে হাঁটবে, নতুবা তাকে পিছিয়ে পড়তে হবে। ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, একটি বৈশ্বিক বাণিজ্যপ্রবাহ এবং সমন্বিত জোগান প্রক্রিয়ার সে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে কি না। এর ফলে দেশটির উৎপাদন খাত এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রক্রিয়া তরান্বিত হবে। কিন্তু এটা না হলে, সেই উচ্চাশা অর্জন এর পথ কঠিন হয়ে পড়বে।

যেহেতু ভারত আমেরিকার মিত্রতা চায়না এবং দেশটি নিজেদের সিদ্ধান্ত-নীতিমালার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, ওয়াশিংটনের পরিচিত মিত্রদের তুলনায় ভিন্নতর হবে। একারণে টাস্ক ফোর্সের পরামর্শ হল, মার্কিন নীতি নির্ধারকের উচিত নিজেদের সম্পর্ককে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যনীতির মতো করে রুপ দেয়া যেখানে পারস্পরিক চাহিদা এবং আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে জোর দেয়া হবে এবং নিজেদের মতবিরোধ ও পার্থক্যের বিষয়গুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা হবে।

দ্বিদলীয় এই টাস্ক ফোর্সের প্রধান চার্লস আর ক্যায়ে- ব্যক্তিমালিকানাধীন ইকুইটি ফার্ম ওয়ারবার্গ পিনকাস এর সহকারি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ভারত-মার্কিন বিজনেস কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান এবং জোসেফ এস নাই জুনিয়র –সম্মানিত সার্ভিস প্রফেসর এবং হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের সাবেক ডীন। এই টাস্ক ফোর্সটি  সরকারি, শিক্ষা, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সেক্টরের  ১৬ জন সুপরিচিত বিশেষজ্ঞ দ্বারা গঠিত, তাদের ডিরেক্টর হচ্ছেন ভারত, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিএফআর এর সিনিয়র ফেলো এলিসা আইরিস। এই টাস্ক ফোর্সের মতে ভারত-মার্কিন নীতিনির্ধারকদের উচিত উল্লেখিত বিষয়ে নজর দেয়াঃ

  • ভারতের বৈশ্বিক অগ্রগতিতে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে এরূপ বিরোধের সম্ভাবনা নিরসনে আমেরিকার উচিত ভারতকে পাকিস্তানের সাথে তার সম্পর্কের উন্নতিতে উৎসাহিত করা। এতে দেশটি নিজেদের উত্থানেই বিনিয়োগ করবে, বিশেষ করে এর মাধ্যমে আরো বাণিজ্যিক সম্পর্কের সৃষ্টি হবে।
  • আফগানিস্তানে মার্কিন এবং এর সহযোগী দেশগুলোর সেনা উপস্থিতি ভারতের আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে দুশ্চিন্তার একটি বড় কারণ। টাস্ক ফোর্সের নীতিনির্ধারকেরা বলেন, আফগানিস্তান বিষয়ে আমেরিকাকে তার দেয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রেসিডেন্ট ওবামার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৭ সালের মধ্যে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা সংখ্যা ৫০০০ এ কমিয়ে আনা হবে। এর বাইরেও এই অঞ্চলে ভারতের স্বার্থ রক্ষায় আমেরিকার ভুমিকা রাখা উচিত বলে তারা মনে করেন।
  • টাস্ক ফোর্স মনে করে ভারত যদি সামাজিকব্যবস্থা এবং অর্থনীতি বিষয়ে তার উচ্চাকাঙ্ক্ষাসমূহ বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে তাকে মেয়েশিশু এবং নারী অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর করতে হবে। ম্যাককিন্সি গ্লোবাল ইন্সটিটিউটের এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, অর্থনীতিতে নারীর সমান অংশগ্রহণের ফলে ভারতের জন্য ০.৭ ট্রিলিয়ন থেকে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলারের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

টাস্ক ফোর্সের মতে, ভারত যে সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা অর্জনে ওয়াশিংটন এবং নয়া দিল্লীকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে- ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বন্ধুত্বকে সর্বাগ্রে বিবেচনা করতে হবে, ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় মার্কিন সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে এবং লক্ষ্য পূরণে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে। বিগত দশকগুলোতে দুটি দেশ প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে যেভাবে একসাথে কাজ করেছে, অর্থনৈতিক সম্পর্ককেও একইভাবে পরিচালিত করতে হবে।

বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে আমেরিকা এবং ভারতের মিলিত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ৪টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র টাস্ক ফোর্স চিহ্নিত করেছে যেখানে দেশদুটি একসাথে কাজ করতে পারে। এগুলো হল সাইবার ডোমেন, বিশ্বস্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানী, গণতন্ত্র। সাইবার নিরাপত্তা এবং বিশ্বস্বাস্থ্য বিষয়ে ভারত ইতিমধ্যে কারিগরি সক্ষমতা অর্জন করেছে। দেশটিতে একটি বিশাল কর্মীবাহিনী আছে যেটি একইসাথে মেধাবী ও অভিজ্ঞ । এরা নিরন্তরভাবে তাদের আমেরিকান সহযোগীদের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে প্রাইভেট সেক্টর, আই টি এবং মেডিকেল ইন্ডাস্ট্রির নাম করা যায়।

এর সাথে টাস্ক ফোর্স মনে করে, যেহেতু বিগত বছরগুলোতে পরামর্শ ও সহযোগিতার ক্ষেত্র বহুদূর প্রসারিত হয়েছে আমেরিকান সরকারের উচিত নিরাপত্তা বিষয়ে ভারত সম্পর্কে আরও গুরুত্ব আরোপ করা। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে দেশদুটির একসাথে কাজ করা উচিত।

অননূদিত প্রবন্ধটি পড়তে ক্লিক করুন: http://www.cfr.org/india/working-rising-india/p37233

You might also be interested in